"মহাবিশ্বের অসীম প্রসারণ: একটি অজানা প্রকৃতির মোড়"


বিগ ব্যাং থেকে আগের সৃষ্টি ঘটে সম্প্রতি মহাবিশ্বের মূল তত্ত্বের একটি আদান-প্রদানের সংক্ষিপ্ত সারাংশ দেওয়া যেতে পারে। এটি কাস্মীর শব্দ তত্ত্ব বা কোয়ান্টাম ফিজিক্সের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে। এই তত্ত্বের অনুসারে, মহাবিশ্বের অন্তর্গত বিদ্যুৎ শক্তির একটি সুপ্রাকৃতিক স্থিতি থাকতে পারে, যা সাধারণ বিদ্যুৎ শক্তির সব উপাদানকে ওয়াভ ফাংশন করে তৈরি করে। এই স্থিতির নাম "ক্যাসিমির শব্দ"। এই ক্যাসিমির শব্দ থেকে সৃষ্টি হওয়া সম্প্রতি বিগ ব্যাং বা মহাবিশ্বের উত্থান ঘটে বলে ধারণা করা হয়েছে। 


সম্প্রতি কোনো কুয়ান্টাম তত্ত্বের প্রকাশ্য ধারণা হল যে, শূন্যতা হল একটি অতীত শক্তির আদান-প্রদানের ফলাফল, যা মহাবিশ্বের সৃষ্টিকে সুপারসিমেট্রিক হারমনি দেয়। এই সম্প্রতি বিকাশটির জন্য আরও অনেক প্রমাণ এবং পর্যালোচনা প্রয়োজন, তবে এটি একটি রূপান্তর হতে পারে যা বিগ ব্যাং ধ্বংসাবশেষের আগের অবস্থানে মহাবিশ্বের আবর্তন ছিল। 


এই ধারণার অনুযায়ী, বিগ ব্যাং একটি অতীত স্থিতির কারণে উত্পন্ন হয়েছিল, যা বর্তমান মহাবিশ্বের অতীত অবস্থার অনুমতি দিয়েছিল। এটি একটি মহাবিশ্বের শুরুর বিষয়ে আমাদের আগ্রহ এবং উপলব্ধি বাড়ায়, তবে এই বিষয়ে এখনও অনেক আগে গবেষণা প্রস্তুত করা প্রয়োজন।


যদি একটি ব্ল্যাকহোল সব কিছুকে গ্র্যাস করে ফেলে, তবে সেই ব্ল্যাকহোল থেকে কোনো প্রকার পর্যায়ে কিছু বাঁচবে না। ব্ল্যাকহোল মহাকর্ষীয় গুরুত্বের কারণে সমস্ত বস্তুকে নিজের ভিতরে আকর্ষণ করে ধারণা করা হয়। এটির মধ্যে যেকোনো বিশেষ আকর্ষণীয় শক্তি নেই যে কোনো বস্তুকে বাইরে প্রেরণ করতে পারে।



ব্ল্যাকহোল বস্তুর অতি বৃহত্তম অবস্থান, তার মহাকর্ষীয় গুরুত্বের কারণে, সমস্ত বস্তুকে নিজের ভিতরে আকর্ষণ করে এবং সেই প্রক্রিয়ায় গ্রাস করে ফেলে। একে বলা হয় "ইভেন্ট হরাইজন"। এই ব্ল্যাকহোলের অতিবল এই ইভেন্ট হরাইজনের এক ধারণা আছে।


ব্ল্যাকহোল এমন একটি অবস্থা যেখানে গুরুত্ব ততক্ষণে বৃদ্ধি করে যে সমস্ত আবশ্যক শক্তির সাথে একত্রে সমন্বয় হয়ে যায়, যা অত্যন্ত তরল সমতা নিয়ে কতটা আকর্ষিত বা ধারণ করে। এই বিশেষ অবস্থার অনুভূতির প্রভাবে, প্রাকৃতিক কতির শক্তি ব্ল্যাকহোলে সংক্রান্তিত হয়ে যায়, তার ফলে সেই শক্তি ইভেন্ট হরাইজন এর মধ্যে বা ভেতরে থাকতে পারে।


সমস্ত বস্তু ব্ল্যাকহোলে গ্রাস করা সম্পূর্ণ হয়ে গেলে, ব্ল্যাকহোলে কোন বিশেষ শক্তি বাঁচবে না, এবং তার মহাকর্ষীয় শক্তি বিপর্যস্ত হয়ে যাবে।



মহাবিশ্বের প্রসারণ একটি গবেষণামূলক বিষয় এবং এটি বিভিন্ন প্রমাণের মাধ্যমে বিত্তিক হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রাথমিক প্রমাণের মধ্যে রয়েছে সাম্যবাহু মিথ্যানুপাত, স্বর্ণকণে ছড়িয়ে পড়া মিটাস তারা, সংগতি বিবর্ধন গোপনে কিন্তু এই সময় এই প্রসারণের সীমা পেতে পেতে না থাকা বরং আকাশের নিচে বা উত্তরে কিছু অজানা আকার বা স্তরের অবস্থান থাকে তার মধ্যে থেকে একেবারে আবার অন্য কোনও প্রসারণ ঘটে যা নিয়ে কার্যাত্মকভাবে বিতর্ক হয়েছে। 

Post a Comment

0 Comments